শিরোনাম
স্নাতক পাস থাকলেই ‘কাজী ফার্মসে’ চাকরির সুযোগ, নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য অভিজ্ঞতা ছাড়াই ‘দারাজে’ চাকরির সুযোগ, একাধিক পদ স্নাতক পাস থাকলেই ‘সাউথ বাংলা’ ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য ৩৫ হাজার টাকা বেতনে ‘জাগো ফাউন্ডেশনে’ চাকরির সুযোগ, নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য একাধিক পদে ‘বসুন্ধরা গ্রুপে’ চাকরির সুযোগ, নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য স্নাতক পাস থাকলেই ‘সীমান্ত ব্যাংকে’ চাকরির সুযোগ, নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য একাধিক পদে ‘প্রাণ গ্রুপে’ চাকরির সুযোগ, নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য ম্যানেজার পদে মিনিস্টার শোরুমে চাকরির সুযোগ, পদসংখ্যা: ৫০ জন SSC পাসে ‘ইসলামী ব্যাংকে’ চাকরির সুযোগ, আবেদন অনলাইনে একাধিক পদে দেশবন্ধু গ্রুপে চাকরির সুযোগ, নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য

ওমানে বসে প্রস্তুতি নিয়ে বিসিএস ক্যাডার হলেন সুলতানা

BD-Job News
  • Update Time : Friday, September 24, 2021
  • 223 Time View

ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজের শিক্ষার্থী রহিমা সুলতানা। তিন ভাই ছয় বোনের মধ্যে সুলতানা পঞ্চম। বাবা আলী আকবর ভূঁঞা ছিলেন পোস্ট মাস্টার (অবসরপ্রাপ্ত)। মা রাজিয়া আক্তার গৃহিণী।

সব মা-বাবার স্বপ্ন থাকে সন্তান উচ্চশিক্ষিত হয়ে মুখ উজ্জ্বল করবে, দেশ ও দশের কল্যাণে কাজ করবে। সব বাধা পেরিয়ে সুলতানা তার মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করেছেন।

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ৩৮তম ব্যাচের শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন রহিমা সুলতানা। আনন্দমোহন কলেজে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ পড়াকালীন সুলতানার বিয়ে হয়ে যায়।

এরপর পড়াশোনায় ভাটা পড়ে। স্বামী শিবলী নোমান কাতার আওকাফে চাকরি করেন। ফলে বিয়ের পর সুলতানাকে কাতারে নিয়ে যান। ২০১৪ সালে কন্যাসন্তানের জন্ম হয় তার। এখন তার সন্তানের ছয় বছর। দেশের বাইরে থাকায় অনার্সের ক্লাস করতে পারেননি তিনি।

যখন পরীক্ষায় সময় হতো তখন পরীক্ষা দেয়ার জন্য দেশে আসতেন। এ অবস্থায় অনার্স শেষ করা কঠিন হয়ে পড়ে তার। রহিমার আত্মবিশ্বাস ছিল। তাই
বিয়ের পর দেশের বাইরে গিয়েও থেমে থাকেননি।

উৎসাহ আর উদ্দীপনা নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যান তিনি। রহিমা সুলতানা পড়াশোনা আর সংসার চালানোর পাশাপাশি ওমানে ২০১২ সালে বাংলাদেশ স্কুল সোহার (সহকারী শিক্ষক) হিসেবে চাকরি নেন। ২০১৩ সালে ওমানে সোহার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে শিক্ষকতা করেন তিনি। এরপর (২০১৪-১৫) সালে প্রভাষক হিসেবে ওমানে বাংলাদেশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ সাহামে শিক্ষকতা করেন।

আবার কাতারে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুল অ্যান্ড কলেজে
শিক্ষকতা করেন তিনি। শুরুতে কিশোরগঞ্জের ইটনা আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু হয় সুলতানার। তৃতীয় শ্রেণিতে তিনি প্রথম বিদ্যালয়ে যান। এরপর কিশোরগঞ্জের তাড়াইল হাজি গোলাম হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০৩ সালে বিজ্ঞান বিভাগে ‘এ’ গ্রেড পেয়ে এসএসসি পাস করেন সুলতানা। কিশোরগঞ্জের তাড়াইল মুক্তিযোদ্ধা সরকারি মহাবিদ্যালয় থেকে ২০০৫ সালে ব্যবসা শিক্ষায় ‘এ’ গ্রেড পেয়ে এইচএসসি পাস করেন তিনি।

ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজ ২০১০ সালে ইংরেজিতে অনার্স, একই বিষয়ে ২০১১ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন সুলতানা। রহিমা সুলতানা বলেন, নেত্রকোনার মদন উপজেলার ফতেহপুর গ্রামে আমার জন্ম। বাবা সরকারি চাকরিজীবী হওয়ায় বিভিন্ন সময় ট্রান্সফারের কারণে শৈশব কেটেছে দেশের বিভিন্ন জেলা এবং উপজেলায়। আমি কিশোরগঞ্জের ইটনা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে প্রথম ভর্তি হই। এর আগে বাসায় ভাই-বোনেরা আমাকে পড়িয়েছে। ‘তখন পরীক্ষা কী? কিভাবে কি লিখতে হয় কিছুই বুঝতাম না।

Recent Posts
© All rights reserved 2021 ©
bd-jobnews.com
Design & Developed By AllItService.Com